শ্বাসকষ্ট (Shortness of breath)

শেয়ার করুন

বর্ণনা

লক্ষণটি শ্বাসস্বল্পতা, দম বন্ধ হওয়া ও ডিস্পনিয়া (Dyspnea) হিসেবেও পরিচিত।

ডিস্পনিয়া বলতে শ্বাস নেওয়ার সময় অস্বাভাবিক ও অস্বস্তিকর অনুভূতি হওয়াকে বোঝায়। এই অনুভূতি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। এটি ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত রোগীদের শ্বাসজনিত সমস্যার অন্যতম কারণ।

ডিস্পনিয়ার সাথে দ্রুত শ্বাস নেওয়া [ট্যাকিপনিয়া (tachypnea)], মাত্রাতিরিক্ত শ্বাস-প্রশ্বাস বা হাইপারভেন্টিলেশনের পার্থক্য রয়েছে।

কারণ

বিভিন্ন কারণে এই লক্ষণ দেখা যেতে পারেঃ যেমন-        

রক্তস্বল্পতা (Anemia) অ্যাঞ্জাইনা (Angina)
দুশ্চিন্তা/উদ্বেগ (Anxiety) অ্যাজমা (Asthma)
সিরোসিস (Cirrhosis) কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট (Cardiac arrest)
ভ্যালে ফিভার (Valley fever) লিভারের রোগ (Liver disease)
ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ (Chronic obstructive pulmonary disease, COPD) ক্রনিক রিউম্যাটিক ফিভার/ক্রনিক বাতজ্বর (Chronic rheumatic fever)
ফুসফুসের ক্যান্সার (Lung cancer) হার্ট ব্লক (Heart block)
যক্ষা (Tuberculosis) হার্ট এ্যাটাক (Heart attack)
হার্ট ফেইলিয়র (Heart failure) খাদ্যনালীর ক্যান্সার (Esophageal cancer)
ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্স/ দুগ্ধজাত খাবারের প্রতি অসহিষ্ণুতা (Lactose intolerance) কিডনি ফেইলিয়র (Kidney failure)
উচ্চরক্তচাপ জনিত কিডনির রোগ (Kidney disease due to long-lasting hypertension) আতঙ্কগ্রস্ততা (Panic attack)
ইশকেমিক হার্ট ডিজিজ (Ischemic heart disease) পেরিকার্ডাইটিস (Pericarditis)
পেরিটোনাইটিস (Peritonitis) ফুসফুসের অ্যাবসেস/পুঁজ (Abscess of the lung)
অ্যারিদমিয়া (Arrhythmia) ব্রঙ্কিয়েক্টেসিস (Bronchiectasis)
পালমোনারী হাইপারটেনশন (Pulmonary hypertension) সেন্ট্রাল অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস (Central atherosclerosis)
এন্ডোকার্ডাইটিস (Endocarditis) পা্লমোনারী কঞ্জেশন (Pulmonary congestion)
গলব্লাডার ক্যান্সার (Gallbladder cancer) পালমোনারী ইওসিনোফিলিয়া (Pulmonary eosinophilia)
পালমোনারী ফাইব্রোসিস (Pulmonary fibrosis) অ্যাড্রেনাল অ্যাডেনোমা (Adrenal adenoma)
অ্যাসেন্ডিং কোলাঞ্জাইটিস (Ascending cholangitis) ফরেন বডি ইন দি থ্রোট (Foreign body in the throat)
গ্লুকোকরটিকোয়েড ডেফিসিয়েন্সি (Glucocorticoid deficiency) করোনারী অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস (Coronary atherosclerosis)
প্লুরাল ইফিউশন (Pleural effusion) এমফাইসিমা (Emphysema)
নিউমোথোরাক্স (Pneumothorax) ক্রুপ (Croup)
এমপায়েমা (Empyema) সিস্টিসারকোসিস (Cysticercosis)
পয়জনিং ডিউ টু গ্যাস (Poisoning due to gas) ইন্টারস্টিশিয়াল লাং ডিজিজ (Interstitial lung disease)
ফ্লুইড ওভারলোড (Fluid overload) পালমোনারী এমবলিজম (Pulmonary embolism)
পালমোনিক ভাল্ভ ডিজিজ (Pulmonic valve disease) ফোলেট ডেফিসিয়েন্সি (Folate deficiency)
অ্যাবডোমিনাল অ্যাওর্টিক অ্যানিউরিজম (Abdominal aortic aneurysm) লাং কনটিউশন (Lung contusion)
ম্যাগনেসিয়াম ডেফিসিয়েন্সি (Magnesium deficiency) ম্যালিগন্যান্ট হাইপারটেনশন (Malignant hypertension)
হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি (Hepatic encephalopathy) অ্যাকিউট ব্রঙ্কাইটিস (Acute bronchitis)
সারকোয়ডোসিস (Sarcoidosis) নারকোলেপসি (Narcolepsy)
মাইট্রাল ভাল্ভ ডিজিজ (Mitral valve disease) অবস্ট্রাক্টিভ স্লিপ অ্যাপ্নিয়া (Obstructive sleep apnea (OSA))
মায়েস্থেনিয়া গ্রেভিস (Myasthenia gravis) সাইনাস ব্র্যাডিকার্ডিয়া (Sinus bradycardia)
অ্যামাইলয়ডোসিস (Amyloidosis) কিডনির রোগজনিত রক্তসল্পতা (Anemia due to chronic kidney disease)
অ্যানিমিয়া ডিউ টু ম্যালিগনেন্সি (Anemia due to malignancy) হাইপারকেলেমিয়া (Hyperkalemia)
হাইপারনেট্রেমিয়া (Hypernatremia) হাইপোক্যালসেমিয়া (Hypocalcemia)
হাইপোনেট্রেমিয়া (Hyponatremia) প্যারোক্সিসমাল সুপ্রাভেন্ট্রিকুলার ট্যাকিকার্ডিয়া (Paroxysmal supraventricular tachycardia)
অ্যাওর্টিক ভাল্ভ ডিজিজ (Aortic valve disease) অ্যাসপারজিলোসিস (Aspergillosis)
অ্যাটেলেকটেসিস (Atelectasis) নিউমোকোনিওসিস (Pneumoconiosis)
ফ্র্যাকচার অফ দি রিব (Fracture of the rib) অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশন (Atrial fibrillation)
অ্যাকিউট স্ট্রেস রিঅ্যাকশন/ডিজঅর্ডার (Acute stress reaction/disorder) ব্যাসেট ডিজিজ (Behcet disease)
নিউমোনিয়া (Pneumonia)

সংশ্লিষ্ট লক্ষণসমূহ

এই লক্ষণের সাথে অন্যান্য যেসকল লক্ষণ দেখা যেতে পারে সেগুলো হলোঃ

ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়

যে রোগের কারণে নিঃশ্বাসের সমস্যা হচ্ছে, সেটির সাথে সম্পর্কযুক্ত ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়ের উপর নির্ভর করে ডিসপ্যানিয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধিকারী বিষয় বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।

যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে

লিঙ্গ:  পুরুষ ও নারী উভয়ের মধ্যে এই লক্ষণ দেখা দেওয়ার গড়পড়তা সম্ভাবনা থাকে।

জাতি:  শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে এই লক্ষণ দেখা দেওয়ার গড়পড়তা সম্ভাবনা থাকে। হিস্প্যানিক ও অন্যান্য জাতির মধ্যে এই লক্ষণ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা ১ গুণ কম।

হেলথ টিপস্‌

শ্বাসকষ্টের সমস্যার প্রতিরোধ এর মূল কারণের উপর নির্ভরশীল। শ্বাসকষ্ট নিয়ন্ত্রণ করার জন্য চিকিৎসকেরা স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়াম করাসহ জীবনযাত্রার পরিবর্তনের ব্যাপারে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে থাকেন।