অসুস্থ বোধ করা (Feeling ill)

শেয়ার করুন

বর্ণনা

লক্ষণটি অস্বস্তি বোধ হওয়া ও খারাপ বোধ করা হিসেবেও পরিচিত।

অসুস্থ বোধ করা বলতে শারীরিক ও মানসিকভাবে খারাপ লাগার অনুভূতিকে বোঝায়। যে কোনো ধরনের শারীরিক ও মানসিক সমস্যার কারণে এই অনুভূতি হতে পারে। সমস্যার উপর ভিত্তি করে পর্যায়ক্রমে বা হঠাৎ করে- উভয়ভাবেই এটি শুরু হতে পারে। অনেক রোগের ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি অসুস্থ বোধ করার সাথে সাথে অবসাদ ও দুর্বল বোধ করে থাকে।

কারণ

বিভিন্ন কারণে এই লক্ষণ দেখা দিতে পারে, যেমন-

যোনিদ্বারের ক্যান্সার (Vulvar cancer) চুল পড়া (Alopecia)
বিষক্রিয়াজনিত হেপাটাইটিস (Hepatitis due to a toxin) হাইপোগ্লাইসেমিয়া (Hypoglycemia)
পালমোনারী হাইপারটেনশন (Pulmonary hypertension) সিস্টিক ফাইব্রোসিস (Cystic fibrosis)
হিট স্ট্রোক (Heat stroke) ইনটেস্টাইনাল ম্যালঅ্যাবজর্পশন (Intestinal malabsorption)
গ্লুকোকরটিকোয়েড ডেফিসিয়েন্সি (Glucocorticoid deficiency) অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন (Orthostatic hypotension)
সিন্ড্রোম অফ ইনঅ্যাপ্রোপ্রিয়েট সিক্রেশন অফ এ-ডি-এইচ (Syndrome of inappropriate secretion of ADH (SAIDH)) অ্যাবসেস অফ দি ফ্যারিংস / গলবিলের ফোঁড়া (Abscess of the pharynx)
মোনোনিউরাইটিস (Mononeuritis) স্ক্লেরোডার্মা (Scleroderma)
হাইপারক্যালসেমিয়া (Hypercalcemia) সাইনাস ব্র্যাডিকার্ডিয়া (Sinus bradycardia)
সোমাটাইজেশন ডিজঅর্ডার (Somatization disorder) হাইপারকেলেমিয়া (Hyperkalemia)
বিনাইন প্যারোক্সিজমাল পজিশনাল ভার্টিগো (বি-পি-পি-ভি) (Benign paroxysmal positional vertigo (BPPV)) অ্যানিমিয়া অফ ক্রনিক ডিজিজ (Anemia of chronic disease)

ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়

নিম্নোক্ত বিষয়গুলি অসুস্থ বোধ হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি করতে পারে-

  • বিষণ্নতা।
  • অবসাদ।
  • ঘুমের অভাব।
  • শারীরিক ও মানসিক চাপ।
  • অস্বাস্থ্যকার খাদ্যাভ্যাস।
  • ইনফেকশন।
  • ক্যান্সার।
  • আর্থরাইটিস।
  • কিডনির রোগ।
  • ফুসফুসের রোগ।

যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে

লিঙ্গঃ নারীদের মধ্যে এই লক্ষণ দেওয়ার গড়পড়তা সম্ভাবনা থাকে। পুরুষদের মধ্যে এই লক্ষণ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা ১ গুণ কম।

জাতি; শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে এই লক্ষণ দেখা দেওয়ার গড়পড়তা সম্ভাবনা থাকে। কৃষ্ণাঙ্গ, হিস্প্যানিক ও অন্যান্য জাতির মধ্যে এই লক্ষণ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা ১ গুণ কম । 

হেলথ টিপস্‌

আপনার যদি তীব্রভাবে অস্বস্তিবোধ হয় তবে অতিসত্ত্বর চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। নিম্নোক্ত বিষয়গুলি দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন-

  • অসুস্থ বোধ করার পাশাপাশি অন্য কোনো লক্ষণ দেখা দেওয়া।
  • অসুস্থতা বোধ (অন্য কোনো লক্ষণসহ বা লক্ষণ ছাড়া) ১ সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হওয়া।