বুকে জ্বালাপোড়াসহ ব্যথা (Burning chest pain)

শেয়ার করুন

বর্ণনা

পাকস্থলির এসিড পাকস্থলী থেকে অন্ননালীতে ছড়িয়ে পড়লে এসিড রিফ্লাক্স সৃষ্টি হয় যার ফলে বুকে জ্বালাপোড়া হয়ে থাকে। ব্যক্তিভেদে বিভিন্ন কারনে বুকে জ্বালা পোড়া হতে পারে। খাওয়া-দাওয়ার পর বুকে জ্বালাপোড়া হতে পারে যা কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘন্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়ে থাকে।

কারণ

বিভিন্ন কারণে এই লক্ষণ দেখা যেতে পারেঃ যেমন-

সংশ্লিষ্ট লক্ষণসমূহ

এই লক্ষণের সাথে অন্যান্য যেসকল লক্ষণ দেখা যেতে পারে সেগুলো হলোঃ

ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়

এ লক্ষণের জন্য ঝুকিপূর্ণ বিষয়গুলো হলোঃ

কিছু কিছু খাবার বা পানীয় গ্রহনের ফলে বুকে জ্বালাপোড়া হয়ে থাকেঃ

  • পেঁয়াজ
  • টক জাতীয় খাবার
  • টমেটো সস
  • তেলে ভাজা খাবার
  • চকোলেট
  • মদ, কোমল পানীয়, কফি প্রভৃতি
  • চর্বিযুক্ত খাবার
  • পেপারমিন্ট

যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে

লিঙ্গঃ পুরুষদের মধ্যে এই লক্ষণ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা ১ গুণ কম। মহিলাদের মধ্যে এই লক্ষণ দেখা দেওয়ার গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে।

জাতিঃ শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে এই লক্ষণ দেখা দেওয়ার গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। হিস্প্যানিক ও অন্যান্য জাতিদের মধ্যে এই লক্ষণ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা ১ গুণ কম।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

উত্তরঃ যদি ফুসফুসের কোন সমস্যার জন্য বুক জ্বালাপোড়া করে, তবে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। যদি মাসকুলোস্কেলেটালের সমস্যার জন্য বুক জ্বালাপোড়া করে তবে ফিজিকাল থেরাপিস্ট এর কাছে যেতে হবে। কাশির সময় ইন্ট্রা-থোরাসিক এবং ইন্ট্রা-অ্যাবডোমিনাল প্রেশার বেড়ে গেলে পাকস্থলিতে এসিড রিফ্লাক্স সৃষ্টি হয়, এক্ষেত্রে গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলোজিস্ট এর শরণাপন্ন হতে হবে।

হেলথ টিপস্‌

নিম্নলিখিত পন্থা অবলম্বন করে এই লক্ষণ প্রতিরোধ করা সম্ভবঃ

  • ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখতে হবে।
  • আঁটোসাটো পোশাক পরিধান করা যাবে না।
  • যে সব খাবার খেলে বুক জ্বালাপোড়া করে সেসব খাওয়া যাবে না।
  • খাওয়া-দাওয়ার পর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে হবে।
  • দেরি করে খাবার খাওয়া যাবে না।
  • ধূমপান এড়িয়ে চলতে হবে।
  • খাট থেকে একটু উপরে মাথা রেখে ঘুমাতে হবে।