মটর শুটি এর বর্ণনা


শেয়ার করুন

মটর শুটি

উপকারিতা ও অপকারিতা

যার জন্য উপকারী কারণ
অ্যালঝেইমার ডিজিজ (Alzheimer's disease)

মটরশুঁটিতে পিসামস্যাপোনিন্স ১ এবং ২ এবং পিসোমোসাইডস এ এবং বি নামক শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরী উপাদান, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই ,মিনারেল জিঙ্ক, ওমেগা ৩ ফ্যাট, আলফা লিনোলেনিক এসিড রয়েছে এই উপাদানগুলো বলিরেখা, অ্যালঝেইমার ডিজিজ, আর্থ্রাইটিস, ব্রঙ্কাইটিস, অস্টিওপরোসিস ও ক্যান্ডিডা প্রতিরোধ করে

অস্টিওআর্থ্রাইটিস (Osteoarthritis)

মটরশুঁটিতে পিসামস্যাপোনিন্স ১ এবং ২ এবং পিসোমোসাইডস এ এবং বি নামক শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরী উপাদান, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই ,মিনারেল জিঙ্ক, ওমেগা ৩ ফ্যাট, আলফা লিনোলেনিক এসিড রয়েছে এই উপাদানগুলো বলিরেখা, অ্যালঝেইমার ডিজিজ, আর্থ্রাইটিস, ব্রঙ্কাইটিস, অস্টিওপরোসিস ও ক্যান্ডিডা প্রতিরোধ করে

অ্যাকিউট ব্রঙ্কাইটিস (Acute bronchitis)

মটরশুঁটিতে পিসামস্যাপোনিন্স ১ এবং ২ এবং পিসোমোসাইডস এ এবং বি নামক শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরী উপাদান, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই ,মিনারেল জিঙ্ক, ওমেগা ৩ ফ্যাট, আলফা লিনোলেনিক এসিড রয়েছে এই উপাদানগুলো বলিরেখা, অ্যালঝেইমার ডিজিজ, আর্থ্রাইটিস, ব্রঙ্কাইটিস, অস্টিওপরোসিস ও ক্যান্ডিডা প্রতিরোধ করে

অস্টিওপরোসিস/অস্থি ক্ষয় (Osteoporosis)

মটরশুঁটিতে পিসামস্যাপোনিন্স ১ এবং ২ এবং পিসোমোসাইডস এ এবং বি নামক শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরী উপাদান, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই ,মিনারেল জিঙ্ক, ওমেগা ৩ ফ্যাট, আলফা লিনোলেনিক এসিড রয়েছে এই উপাদানগুলো বলিরেখা, অ্যালঝেইমার ডিজিজ, আর্থ্রাইটিস, ব্রঙ্কাইটিস, অস্টিওপরোসিস ও ক্যান্ডিডা প্রতিরোধ করে

ডায়াবেটিস (Diabetes)

মটরশুঁটিতে প্রচুর পরিমাণে আঁশ ও প্রোটিন রয়েছে যা দেহে সুগার বিশ্লেষনের গতি কমিয়ে দেয় এমনকি এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমায় প্রায় সব কার্বোহাইড্রেট ও স্টার্চ স্বাভাবিকভাবেই চিনির কাজ করে থাকে

পরীক্ষায় দেখা গেছে প্রচুর পরিমাণে মটরশুঁটি খেলে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায় এতে গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের মাত্রা কম থাকে এবং প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও আঁশ থাকে এর এক পরিবেশনায় দেহের ১৩% ম্যাগনেসিয়ামের অভাব পূরণ হয় এবং গবেষণায় দেখা গেছে ১০০ গ্রাম ম্যাগনেসিয়াম গ্রহণ করলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়

পাকস্থলীর ক্যান্সার (Stomach cancer)

মটরশুঁটিতে কোমেস্টেরল নামক পলিফেনল রয়েছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে বেশ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। মটরশুঁটির এক পরিবেশনা প্রতিদিন একবার গ্রহণ করলে পাকস্থলী ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। গবেষণায় দেখা যায়, এক কাপ মটরশুঁটিতে ১০ মিলিগ্রাম কোমেস্টেরল রয়েছে যা প্রতিদিন গ্রহণ করলে পাকস্থলী ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। 

ওজন কমাতে সাহায্য করে

মটরশুঁটিতে ফ্যাটের পরিমাণ খুব কম থাকে। এক কাপ মটরশুঁটিতে ১০০ গ্রামের কম ক্যালোরি রয়েছে। কিন্তু এতে প্রোটিন, ফাইবার ও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট এর পরিমাণ অনেক বেশী পরিমাণে থাকে। 

বলিরেখা এবং ক্যান্ডিডা প্রতিরোধ করে মটরশুঁটিতে পিসামস্যাপোনিন্স ১ এবং ২ এবং পিসোমোসাইডস এ এবং বি নামক শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরী উপাদানভিটামিন সিভিটামিন ই ,মিনারেল জিঙ্কওমেগা ৩ ফ্যাটআলফা লিনোলেনিক এসিড রয়েছে এই উপাদানগুলো বলিরেখাঅ্যালঝেইমার ডিজিজআর্থ্রাইটিসব্রঙ্কাইটিসঅস্টিওপরোসিস ও ক্যান্ডিডা প্রতিরোধ করে
ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়

মটরশুঁটিতে প্রচুর পরিমাণে নিয়াসিন রয়েছে যা ট্রাইগ্লিসারাইড ও ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজ

মটরশুঁটির এক পরিবেশনা ভিটামিন কে এর প্রতিদিনের চাহিদার ৪৫ ভাগ পূরণ করে থাকে। ভিটামিন কে হৃদপিণ্ডের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভিটামিন কে কার্বোক্সিলেশনে (carboxylation) সাহায্য করে। যার ফলে টেন্ডন, লিগামেন্ট, ফ্যাসিয়া, ত্বক, ফাইব্রোস টিস্যু, সাইনোভিয়াল মেমব্রেন ইত্যাদি টিস্যুতে ক্যালসিয়াম জমাট বাধতে প্রতিহত করে। সুতরাং পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন কে গ্রহণ করলে বিভিন্ন করোনারী ও কার্ডিয়াক ডিজিজ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও মটরশুঁটিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে যা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।      

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃধি করে

মটরশুঁটিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে। এক কাপ মটরশুঁটি ভিটামিন এ এর প্রতিদিনের চাহিদার ২২ ভাগ পূরণ করে থাকে। ভিটামিন এ সমৃদ্ধ মটরশুঁটি মিউকাস মেমব্রেনকে মজবুত করে যা শরীরকে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া থেকে সুরক্ষা প্রদানে সাহায্য করে। শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা থকে সুরক্ষা প্রদান করতে ভিটামিন এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও মটরশুঁটিতে ভিটামিন সি রয়েছে যা এর প্রতিদিনের চাহিদার ৩২ ভাগ পূরণ করে থাকে। ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সহায়তা করে থাকে। 

অস্বাভাবিকভাবে রক্ত জমাট বাঁধতে প্রতিরোধ করে

মটরশুঁটিতে বিদ্যমান ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড প্রোস্টাগ্লান্ডিন (prostaglandins) নামক হরমোন তৈরিতে সাহায্য করে এই হরমোন রক্তনালীতে অস্বাভাবিকভাবে রক্ত জমাট বাধতে দেয়না

পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে

পর্যাপ্ত পরিমাণে মটরশুঁটি গ্রহণ করলে অন্ত্রের সমস্যা অনেকাংশেই দূর করা সম্ভব। এতে বিদ্যমান উচ্চ পরিমাণে ফাইবার, মল ত্যাগের স্বাভাবিকতা বৃদ্ধি করে এবং পেটের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। 

বিপাকক্রিয়াকে ত্বরানিত করে

মটরশুঁটির এক পরিবেশনা জিঙ্কের প্রতিদিনের চাহিদার ১০ ভাগ পূরণ করে থাকে। সুতরাং পর্যাপ্ত পরিমাণে মটরশুঁটি গ্রহণ করলে ওজন কম যায়। মটরশুঁটিতে বিদ্যমান জিঙ্কের কারণে শরীরে বিপাক ক্রিয়া সঠিক ভাবে সম্পূর্ণ হয় এবং এটা শরীর থেকে অতিরিক্ত ক্যালোরি নিঃশেষ করতে সাহায্য করে। যাদের শরীরে জিঙ্কের পরিমাণ কম থাকে তাদের অতি দ্রুত মোটা হয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে।   

সুস্থ ত্বক এবং চুল

গবেষণায় দেখা গেছে, মটরশুঁটিতে বিদ্যমান ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড চুলকে ভঙ্গুর হওয়া থেকে রক্ষা করে চুলকে ঘন ও লম্বা করে এছাড়াও এটা গ্রহণ করলে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে বাধা দেয় এবং ত্বককে সজীব ও মসৃণ রাখে

যার জন্য অপকারি কারণ
গাউট/গেঁটেবাত (Gout)

মটরশুটিতে প্রচুর পরিমাণে পিউরিন (purines) রয়েছে যারা গেঁটেবাত ও কিডনির সমস্যায় ভুগছেন তাদের মটরশুটি গ্রহণ করা উচিৎ নয়। 

সারমর্ম

পুষ্টিতথ্য

  • পরিবেশন আকার: ১০০ গ্রাম
  • পরিবেষনার ধরন: ১ কাপ

ক্যালরি: ৮১ কিলোক্যালরি

  • সুগার: ৫.৬৭ গ্রাম
  • শর্করা: ১৪.৪৫ গ্রাম
  • ফ্যাট: ০.৪ গ্রাম
  • ভিটামিন সি: ৪০ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন এ: ৭৬৫ I.U. (আন্তর্জাতিক একক)
  • প্রোটিন: ৫.৪২ গ্রাম
  • পানি: ৭৮.৮৬ গ্রাম

খাদ্য পুষ্টি

  • গ্লুকোজ: ০.১২ গ্রাম
  • ফ্রুক্টোজ: ০.৩৯ গ্রাম
  • সুক্রোজ: ৪.৯৯ গ্রাম
  • মল্টোজ: ০.১৭ গ্রাম
  • আঁশ: ৫.১ গ্রাম
  • স্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড: ০.০৭১ গ্রাম
  • হেক্সাডেকানয়িক এসিড: ০.০৬৪ গ্রাম
  • অক্টাডেকানয়িক এসিড: ০.০০৭ গ্রাম
  • মোনো-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড: ০.০৩৫ গ্রাম
  • অক্টাডেসিনয়িক এসিড: ০.০৩৫ গ্রাম
  • পলি-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড: ০.১৮৭ গ্রাম
  • অক্টাডেকাডিইনয়িক এসিড: ০.১৫২ গ্রাম
  • অক্টাডেকাট্রিইনয়িক এসিড: ০.০৩৫ গ্রাম
  • ভিটামিন- বি-১ (থায়ামিন): ০.২৬৬ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-২ (রিবোফ্ল্যাভিন): ০.১৩২ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-৩ (নায়াসিন): ২.০৯ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-৫ (প্যান্টোথিনিক এসিড): ০.১০৪ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-৬: ০.১৬৯ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- ই: ০.১৩ মিলিগ্রাম
  • টোকোফেরলস: ১.১ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- কে: ২৪.৮ মাইক্রোগ্রাম
  • কোলিন: ২৮.৪ মিলিগ্রাম
  • ফোলেট: ৬৫ মাইক্রোগ্রাম
  • ভিটামিন- এ,আর-এ-ই (RAE): ৩৮ মাইক্রোগ্রাম
  • লুটিন + জিয়েজ্যানথিন: ২৪৭৭ মাইক্রোগ্রাম
  • বেটা-ক্যারোটিন: ৪৪৯ মাইক্রোগ্রাম
  • আলফা-ক্যারোটিন: ২১ মাইক্রোগ্রাম
  • বেটাইন: ০.২ মিলিগ্রাম
  • সোডিয়াম: ৫ মিলিগ্রাম
  • পটাসিয়াম (K): ২৪৪ মিলিগ্রাম
  • ক্যালসিয়াম (Ca): ২৫ মিলিগ্রাম
  • ফসফরাস (P): ১০৮ মিলিগ্রাম
  • ম্যাগনেসিয়াম (Mg): ৩৩ মিলিগ্রাম
  • লৌহ: ১.৪৭ মিলিগ্রাম
  • জিংক (Zn): ১.২৪ মিলিগ্রাম
  • সেলেনিয়াম (Se): ১.৮ মাইক্রোগ্রাম
  • তামা (Cu): ০.১৭৬ মিলিগ্রাম
  • ম্যাঙ্গানিজ (Mn): ০.৪১ মিলিগ্রাম
  • মিথিয়োনিন: ০.০৮২ গ্রাম
  • আইসোলিউসিন: ০.১৯৫ গ্রাম
  • লিউসিন: ০.৩২৩ গ্রাম
  • লাইসিন: ০.৩১৭ গ্রাম
  • ফিনাইলএলানিন: ০.২ গ্রাম
  • থ্রিয়োনিন: ০.২০৩ গ্রাম
  • ট্রিপটোফেন: ০.০৩৭ গ্রাম
  • ভেলিন: ০.২৩৫ গ্রাম
  • হিস্টিডিন: ০.১০৭ গ্রাম
  • আরজিনিন: ০.৪২৮ গ্রাম
  • গ্লাইসিন: ০.১৮৪ গ্রাম
  • এলানিন: ০.২৪ গ্রাম
  • সিরিন: ০.১৮১ গ্রাম
  • সিস্টিন: ০.০৩২ গ্রাম
  • এসপারটিক এসিড: ০.৪৯৬ গ্রাম
  • গ্লুটামিক এসিড: ০.৭৪১ গ্রাম
  • টাইরোসিন: ০.১১৪ গ্রাম
  • প্রোলিন: ০.১৭৩ গ্রাম
  • অ্যাশ: ০.৮৭ গ্রাম