স্পন্ডাইলোসিস (Spondylosis)

শেয়ার করুন

বর্ণনা

ফ্যাসেট জয়েন্টের মাধ্যমে ভার্টিব্রাগুলো একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে যার কারণে মেরুদণ্ড সহজেই সামনে পিছনে বাঁকানো যায়। ফ্যাসেট জয়েন্টের উপরের এবং নিচের সেগমেন্ট বা অংশ পারস ইন্টেরাটিকুলারিস নামক পাতলা হাড় দিয়ে সংযুক্ত থাকে। স্পন্ডাইলোসিস হল এমন একটা সমস্যা যার কারণে এই হাড়ে চাপ পড়ে এবং এটি ভেঙ্গে যায়।

বয়ঃসন্ধিকালে স্পন্ডাইলোসিসের কারণে পিঠের নিচের দিকের অংশে প্রচন্ড ব্যথা হয়। এছাড়াও যারা জিমন্যাস্টিক, ভারোত্তলন ও ফুটবল ইত্যাদি কার্যক্রমে নিয়মিত অংশগ্রহণ করে তাদের মধ্যেও এই সমস্যা দেখা যায়। যাদের বয়স ২৬ এর নিচে তাদের পিঠে ব্যথা হওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে স্পন্ডাইলোসিস। মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের এ রোগ বেশি হয়ে থাকে খুব কম ক্ষেত্রেই এই সমস্যা ৪০ বছরের পর দেখা যায়। আবার কোন ধরনের আঘাত বা সমস্যা ছাড়াও যে কেউ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে।


কারণ

এই রোগের কারণ গুলো হলোঃ

  • জন্মগতভাবেই মেরুদণ্ডে বিভিন্ন সমস্যা থাকা।
  • পিঠে তীব্র আঘাত পাওয়া।
  • সেরেব্রাল পালসি।
  • ক্রণিক ওভারএক্সটেনশন (পিঠ কুঁজো হয়ে যাওয়া)।
  • হ্যামস্ট্রিং-এ (হাঁটুর পশ্চাদ্ভাগে অবস্থিত পঞ্চশিরার মধ্যে বৃহত্তম শিরা) টান লাগা বা পেশীর ভারসাম্যহীনতা।
  • মেরুদণ্ডের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া।


লক্ষণ

এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে চিকিৎসকেরা নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি চিহ্নিত করে থাকেন:

ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়

যে বিষয় গুলোর কারণে এই রোগ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়ঃ

  • খেলাধূলা করা।
  • ব্যায়াম করা, সাঁতার কাটা, রেসলিং ও ভারোত্তলন করা।
  • ব্যায়াম বা খেলাধূলার সময় সঠিক নিয়ম মেনে না চলা।
  • বয়ঃসন্ধিকালে অস্বাভাবিক শারীরিক বৃদ্ধি হওয়া।


যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে

লিঙ্গঃ পুরুষ ও মহিলা উভয়ের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে।

জাতিঃ শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষ্ণাঙ্গ ও হিস্প্যানিকদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ১ গুণ কম। অন্যান্য জাতিদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ২ গুণ কম।


হেলথ টিপস্‌

স্বাভাবিকভাবেই মানুষের বয়স বাড়ে এবং এটি কোনভাবেই প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। তবে বিভিন্ন পন্থা অবলম্বনের মাধ্যমে মেরুদণ্ডের হাড় মজবুত ও সুস্থ রাখা যায়।

  • চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যায়াম ও ট্রিটমেন্ট গ্রহণ করতে হবে।
  • দাঁড়ানো ও বসে থাকার সঠিক ভঙ্গি বজায় রাখতে হবে।
  • ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
  • নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে।
  • ধূমপান করা যাবে না।
  • মদ্যপান করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
  • যথেষ্ট পরিমাণে বিশ্রাম নিতে হবে।

বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

প্রফেসর ডা: মোঃ মামুন আল মাহাতাব (স্বপ্নীল)

মেডিসিন ( Medicine), হেপাটোলজি ( লিভার) ( Hepatology)

প্রফেসর ডা: সৈয়দ শহিদুল ইসলাম

অর্থোপেডিক সার্জারী ( হাড়) ( Orthopedic Surgery)

প্রফেসর ডা: মিনহাজ রহিম চৌধুরী

রিউম্যাটোলজি ( বাতরোগ) ( Rheumatology)

ডা: শাহ হাবিবুর রহমান

রিউম্যাটোলজি ( বাতরোগ) ( Rheumatology)

ডাঃ: মতিউর রহমান

রিউম্যাটোলজি ( বাতরোগ) ( Rheumatology)

ডা: এ.এম ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

অর্থোপেডিক সার্জারী ( হাড়) ( Orthopedic Surgery)

প্রফেসর ডা: এ বি এম আব্দুল্লাহ

মেডিসিন ( Medicine)

MRCP(UK), FRCP(Edin)

ডাঃ রওশন আরা স্বপ্না

রিউম্যাটোলজি ( বাতরোগ) ( Rheumatology)