সায়াটিকা (Sciatica)

শেয়ার করুন

বর্ণনা

ঊরুর পেছন দিক থেকে পায়ের পেছন দিক দিয়ে নিচে, কখনো একেবারে পায়ের পাতা অবধি এক ধরনের চিনচিনে বা শিরশিরে অনুভূতি অথবা প্রচণ্ড ব্যথা হওয়াকে সায়াটিকা বলে। সাধারণত এটি দেহের যে কোন একপাশে হয়ে থাকে।

সাধারণত হার্ণিয়েটেড ডিস্ক বা বোন স্পারের (অস্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধি) কারণে সায়াটিকা হয়ে থাকে। এর কারণে আক্রান্ত পায়ে জ্বালাপোড়া, ব্যথা আবার কখনো অসাড়তা হয়ে থাকে।

যদিও সায়াটিকার কারণে তীব্র ব্যথা হয়, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কয়েক সপ্তাহ নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে তা ভাল হয়ে যায়। কিন্তু ৬ সপ্তাহের বেশি সময় পরেও ব্যথা না কমলে অপারেশন করাতে হবে।


কারণ

হার্ণিয়েটেড ডিস্ক বা অস্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধির (বোন স্পার) কারণে সায়াটিক নার্ভ তার কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। কখনো কখনো টিউমারের কারণে এই স্নায়ু সংকুচিত হয় আবার ডায়াবেটিসের কারণে নষ্ট হয়ে যায়। এসব কারণেই সাধারণত সায়াটিকা হয়ে থাকে। 

লক্ষণ

এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে চিকিৎসকেরা নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি চিহ্নিত করে থাকেন:

ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়

যে সব বিষয়ের কারণে এই রোগ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়ঃ

  • বয়স বাড়ার সাথে সাথে হার্ণিয়েটেড ডিস্ক এবং হাড়ের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি হওয়া।
  • অধিক মোটা হওয়ার কারণে মেরুদণ্ডের উপর চাপ পড়া।
  • এমন কোন কাজ করা যার কারণে ভারে বস্তু তোলা বা পিঠ বাঁকা হয়ে যাওয়া।
  • দীর্ঘসময় ধরে বসে থাকা।
  • ডায়াবেটিস থাকা।

যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে

লিঙ্গঃ পুরুষ ও মহিলা উভয়ের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে।

জাতিঃ শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষ্ণাঙ্গ, হিস্প্যানিক ও অন্যান্য জাতিদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ১ গুণ কম।


সাধারণ জিজ্ঞাসা


উত্তরঃ এটি গতি, দূরত্ব, অঙ্গভঙ্গি ও দৌড়ানোর সময় কি জুতা পরা আছে তার উপর নির্ভর করে। ধীরে ধীরে এবং কম দৌড়ানো এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য ভাল, এটি পিঠ ও তলপেটের মাসল মজবুত করতে এবং ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। দৌড় শুরু করার পুর্বে পা ও পিঠের নিচের অংশ ভালভাবে স্ট্রেচ করতে হবে। 

উত্তরঃ ভিটামিন ডি ও ভিটামিন বি১২ সায়াটিকার জন্য খুবই উপকারী। ভিটামিন ডি কঙ্কালতন্ত্রকে সুস্থ রাখে এবং ভিটামিন বি১২ পেশী নিয়ন্ত্রণ ও শারীরিক ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র সুস্থ থাকে। 

হেলথ টিপস্‌

  • হাঁটাচলা, দাঁড়িয়ে থাকা বা বসার সঠিক ভঙ্গি বজায় রাখতে হবে।
  • তলপেট বা স্পাইনাল মাসলের নমনীয়তা বজায় রাখার জন্য নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে।
  • কোন কিছু ওঠানোর সময় হাঁটু ও পিঠ সোজা রাখতে হবে। এতে করে পিঠে কোন ধরনের চাপ পড়ে না। শরীর থেকে বেশি দূরে বস্তু ধরে তোলার চেষ্টা করলে পিঠের নিচের দিকে চাপ পড়ে, তাই শরীরের নিকটে বস্তু ধরতে হবে।
  • পিঠে যেন চাপ না পড়ে সেজন্য বসার সময় পিঠের পিছনে কুশন রেখে বসতে হবে।
  • ধূমপান করা যাবে না।
  • ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।


বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

প্রফেসর ডা: আনিসুল হক

মেডিসিন ( Medicine)

MBBS,FCPS,FRCP(Edin),PHD(Gent)

ডাঃএস জি মোগনী মওলা

মেডিসিন ( Medicine)

MBBS, FCPS(Medicine), FACP(America)

প্রফেসর ডা: খাজা নাজিম উদ্দীন

মেডিসিন ( Medicine)

MBBS(Dhaka),FCPS(Med), FRCP(Glasgo), FCPS(USA)

অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজহার

মেডিসিন ( Medicine)

এমবিবিএস , এফসিপিএস(মেডিসিন) , এফআরসিপি(এডিন), এফএসিপি

প্রফেসর ডাঃ মোঃ আলি হোসেন

মেডিসিন ( Medicine)

MBBS,FCPS,MD

প্রফেসর ডা: এ বি এম আব্দুল্লাহ

মেডিসিন ( Medicine)

MRCP(UK), FRCP(Edin)

প্রফেসর ডা: মোঃ মামুন আল মাহাতাব(স্বপনিল)

মেডিসিন ( Medicine), হেপাটোলজি ( লিভার) ( Hepatology)