পয়জনিং ডিউ টু গ্যাস (Poisoning due to gas)

শেয়ার করুন

বর্ণনা

এই সমস্যাটি গ্যাস পয়জোনিং নামেও পরিচিত। বিষাক্ত গ্যাস অতিরিক্ত পরিমাণে শরীরে প্রবেশ করলে ব্যক্তির বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। যেসব গ্যাসের কারণে এই বিষক্রিয়া হয় সেগুলো হলঃ কার্বন মনোক্সাইড, ক্লোরিন গ্যাস ও স্যারিন গ্যাস ইত্যাদি। 

কারণ

যে সকল গ্যাসের কারণে এই সমস্যা বেশি হয়ে থাকে সেগুলো হলোঃ

  • হাইড্রোজেন সালফাইডঃ হাইড্রোজেন সালফাইড একটি রাসায়নিক যৌগএটি বর্ণহীন পঁচা ডিমের গন্ধযুক্ত গ্যাস, টি বাতাসের থেকে ভারীবিষাক্ত, দাহ্য এবং বিষ্ফোরক পদার্থ। এটি সেলুলার লেভেলে অক্সিজেন সরবরাহে বাধা দেয়।  
  • কার্বন মনোক্সাইডঃ কার্বন মনোক্সাইড হলো একপ্রকার রঙগন্ধ এবং স্বাদহীন গ্যাস। কাঠ, কয়লা ইত্যাদি পোড়ালে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। এটি একটি বিপজ্জনক গ্যাস। এটি শরীরে প্রবেশ করলে দেহের প্রতিটি অংশে রক্ত সঞ্চালন ব্যহত হয়। তাই এটি অত্যাধিক মাত্রায় কেউ নিশ্বাসের সাথে গ্রহণ করলে সে দ্রুত অজ্ঞান হয়ে পড়বে এবং সাথে সাথে চিকিৎসা করা না হলে রোগীর মৃত্যু ঘটতে পারে
  • দ্রাবকঃ বিভিন্ন দ্রাবক যেমন- কেরোসিন, গ্যাসোলিন, পেইন্ট স্ট্রিপার, ডিগ্রিজার ইত্যাদি যদি কোন কারণে গ্রহণ করা হয় তবে তার কারণে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফলে ব্যক্তির মাথা ঘুরায়, মনোযোগ বিঘ্ন হয়, দ্বিধা-দ্বন্দ্ব, মাথাব্যথা, কোমা বা মৃত্যুও হতে পারে।                                                                                                                                                                                                             

লক্ষণ

এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে চিকিৎসকেরা নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি চিহ্নিত করে থাকেন:

ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়

যে সকল কারণে কার্বন মনোক্সাইড পয়জোনিং হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায় সেগুলো হলোঃ

  • শিশু ও বয়স্কদে ক্ষেত্রে।
  • ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় বসবাস করা।
  • হার্ট বা ফুসফুসের বিভিন্ন সমস্যা।
  • ধূমপান। 

  ·    এছাড়াও হাইড্রোজেন সালফাইড হলো বিস্ফোরক গ্যাস এবং এটি সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে তার কারণে ব্যক্তির মৃত্যুও হতে পারে। আবার হাইড্রোজেন সালফাইড পুড়ে সালফার ডাইঅক্সাইড ও অন্যান্য বিষাক্ত গ্যাস উৎপন্ন হয় যার প্রভাবেও ব্যক্তির ক্ষতি হতে পারে।  

যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে

লিঙ্গঃ পুরুষদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। মহিলাদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ১ গুণ কম।

জাতিঃ হিস্প্যানিক, শ্বেতাঙ্গ ও অন্যান্য জাতিদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ১ গুণ কম।

হেলথ টিপস্‌

এই সমস্যার ঝুঁকি এড়াতে কয়েকটি পন্থা অবলম্বন করা যেতে পারে। যেমনঃ

  • বাড়ি বা গ্যারেজের ভিতর কখনোই পোর্টেবল জেনারেটর রাখা উচিৎ নয়। বাড়ি থেকে যথেষ্ট দূরে জেনারেটর রাখতে হবে।
  • বাড়ি বা গ্যারেজে রান্না করা ও হিটিং এর জন্য চারকোল গ্রিল ব্যবহার করা যাবে না।
  • হিটিং এর জন্য ওভেন বা গ্যাস স্টোভ কখনোই ব্যবহার করা যাবে না।
  • আগুন জ্বালানোর আগে ফায়ারপ্লেসের ড্যাম্পার খুলতে হবে এবং ছাই ঠাণ্ডা না হওয়া পর্যন্ত তা খোলা রাখতে হবে। এটি ঘরের মধ্যে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধ করে। 

বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

প্রফেসর ডা: মো: আজিজুল কাহ্হার

ইন্টারনাল মেডিসিন ( Internal Medicine)

ডাঃএস জি মোগনী মওলা

মেডিসিন ( Medicine)

MBBS, FCPS(Medicine), FACP(America)

অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজহার

মেডিসিন ( Medicine)

এমবিবিএস , এফসিপিএস(মেডিসিন) , এফআরসিপি(এডিন), এফএসিপি

প্রফেসর ডাঃ মোঃ আলি হোসেন

মেডিসিন ( Medicine)

MBBS,FCPS,MD

প্রফেসর ডা: আনিসুল হক

মেডিসিন ( Medicine)

MBBS,FCPS,FRCP(Edin),PHD(Gent)

প্রফেসর ডা: খাজা নাজিম উদ্দীন

মেডিসিন ( Medicine)

MBBS(Dhaka),FCPS(Med), FRCP(Glasgo), FCPS(USA)

প্রফেসর ডা:এম.এ. আজহার

ইন্টারনাল মেডিসিন ( Internal Medicine)

প্রফেসর ডা: মোঃ মামুন আল মাহাতাব(স্বপনিল)

মেডিসিন ( Medicine), হেপাটোলজি ( লিভার) ( Hepatology)