গ্যাস্ট্রোপ্যারেসিস (Gastroparesis)

শেয়ার করুন

বর্ণনা

গ্যাস্ট্রোপ্যারেসিস হল এমন একটি শারীরিক সমস্যা যার কারণে পাকস্থলীর পেশীর স্বতঃস্ফূর্ত কার্যকলাপ ব্যহত হয়। সাধারণত পাকস্থলীর পেশীর সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে খাবার পরিপাকনালীতে যায়। কিন্তু এই রোগ হলে পাকস্থলী সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না, যার ফলে মলত্যাগে বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়। এছাড়াও এই সময়ে বমি বমি ভাব, বমি হওয়া, ব্লাড সুগার লেভেল ও পুষ্টিজনিত সমস্যা দেখা যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অপারেশনের পরেও এই রোগ হতে পারে। এই রোগ সম্পূর্ণভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়, তবে খাদ্যাভ্যাসের কিছু পরিবর্তন ও নিয়মিত মেডিকেশন গ্রহণের মাধ্যমে এই রোগ কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

 


কারণ

যে সব কারণে এই রোগ হয়ে থাকেঃ

  • অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস।
  • ভেগাস নার্ভের গ্যাস্ট্রিক সার্জারী ও কোন ধরনের ইনজুরি।
  • মাদক ও অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট মেডিকেশনের ব্যবহার।
  • পারকিন্সন’স ডিজিজ।
  • মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস।
  • অ্যামাইলোডোসিস (কোন অঙ্গে বা টিস্যুতে প্রোটিন জমা হওয়া) ও স্ক্লেরোডার্মা (ত্বক, রক্তনালী, কঙ্কালপেশী ও অন্য কোন অঙ্গের সমস্যা)।


লক্ষণ

এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে চিকিৎসকেরা নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি চিহ্নিত করে থাকেন:

ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়

যে সব বিষয়ের কারণে পাকস্থলী সঠিকভাবে খালি হতে অসুবিধা হয়ঃ

  • তলপেট বা খাদ্যনালীর কোন অপারেশন।
  • ভাইরাল ইনফেকশন।
  • রেডিয়েশন থেরাপি সহ ক্যান্সারের বিভিন্ন ট্রিটমেন্ট।
  • পারকিন্সন বা মাল্টিপল স্ক্লেরসিস সহ স্নায়ুর বিভিন্ন সমস্যা।
  • থায়রয়েড গ্রন্থির কার্যকারীতা কমে যাওয়া বা হাইপোথায়রয়ডিজম।

যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে

লিঙ্গঃ পুরুষদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ১ গুণ কম। মহিলাদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে।

জাতিঃ শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ১ গুণ কম। কৃষ্ণাঙ্গ ও হিস্প্যানিকদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা রয়েছে। অন্যান্য জাতিদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ২ গুণ কম।


সাধারণ জিজ্ঞাসা


উত্তরঃ চিকিৎসকের সাথে শরনাপন্ন হয়ে বিভিন্ন টেস্টের মাধ্যমে এই রোগ নির্ণয় করা সম্ভব। 

উত্তরঃ যেহেতু খাবার খুব ধীরে ধীরে হজম হয়, তাই শরীর তার প্রয়োজনীয় ব্লাড সুগার ও পুষ্টি পায় না, এজন্য একই সাথে ব্যক্তির পেট ভরা থাকে এবং ক্ষুধা লাগে। কি ধরনের খাবার খাওয়া হচ্ছে বা কতটুকু খাবার খাওয়া হচ্ছে এসবের কারণেও এসবের কারণেও ব্যক্তির শরীর খারাপ হতে পারে। এ অবস্থায় ব্লাড সুগার বৃদ্ধির জন্য প্রচুর পরিমাণে ফলের রস খেতে হবে।  

হেলথ টিপস্‌

এই রোগের ঝুঁকি কমাতে নিম্নলিখিত পন্থা অবলম্বন করতে হবেঃ

  • ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। কারণ যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের মধ্যে এই রোগ হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চলা উচিৎ।
  • মলত্যাগে অসুবিধা হয় এমন ঔষধ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

প্রফেসর মো: আনিছুর রহমান

গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি ( খাদ্যনালী, পরিপাকতন্ত্র) ( Gastroenterology)

প্রফেসর ডা: এম.এ মাসুদ

গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি ( খাদ্যনালী, পরিপাকতন্ত্র) ( Gastroenterology)

প্রফেসর ডা: এম.এ মাসুদ

গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি ( খাদ্যনালী, পরিপাকতন্ত্র) ( Gastroenterology)

প্রফেসর ডা: এ.এস.এম.এ রাইহান

গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি ( খাদ্যনালী, পরিপাকতন্ত্র) ( Gastroenterology)

প্রফেসর ডা: মো: হাসান মাসুদ

গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি ( খাদ্যনালী, পরিপাকতন্ত্র) ( Gastroenterology)

প্রফেসর ডা:এম.এস. আরফিন

গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি ( খাদ্যনালী, পরিপাকতন্ত্র) ( Gastroenterology)

ডা: চঞ্চল কুমার ঘোষ

গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি ( খাদ্যনালী, পরিপাকতন্ত্র) ( Gastroenterology)