সেলুলাইটিস অর অ্যাবসেস অফ মাউথ (Cellulitis or abscess of mouth)

শেয়ার করুন

বর্ণনা

সেলুলাইটিস ত্বকের একটি সাধারণ ইনফেকশন। যখন ব্যাক্টেরিয়া ত্বকের গভীরে টিস্যুকে আক্রমণ করে তখন এই ইনফেকশন হয়ে থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই ইনফেকশন মৃদু হয়ে থাকে এবং কয়েকদিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হয়। তবে কখনো কখনো সেলুলাইটিস আরো তীব্র আকার ধারণ এবং জটিল সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। এর থেকে সেপ্সিস অথবা বিভিন্ন মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এ রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং লক্ষণ দূর করার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

কিছু কিছু ব্যাক্তি যেমন যাদের ডায়াবেটিস আছে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দূর্বল অথবা ইডিমার সমস্যা রয়েছে তাদের সেলুলাইটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশী। এরা সেলুলাইটিসে আক্রান্ত হলে তা তীব্র আকার ধারণ করে এবং সেরে উঠার পর পুনরায় এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।


কারণ

সাধারণত ব্যাক্টেরিয়ার কারণে বিশেষ করে স্ট্রেপ অথবা স্টেফ ব্যাক্টেরিয়ার জন্য সেলুলাইটিস হয়ে থাকে। তবে নিম্নলিখিত কারণেও এ রোগ হতে পারে।

  •  অপারেশন
  • কেটে গেলে বা কোন কিছুর কামড় খেলে।
  • ট্যাটু অথবা শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছিদ্র (পিয়ার্সিং) করালে।
  • ত্বকের চামড়া ফেটে যায় এমন রোগ যেমন একজিমা, সোরিয়াসিস অথবা অ্যাথলেট’স ফুটের মত ফাঙ্গাল ইনফেকশন হলে।
  • তবে কখনো কখনো এ সকল কারণ ছাড়াও এ রোগ হতে পারে।


লক্ষণ

এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে চিকিৎসকেরা নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি চিহ্নিত করে থাকেন:

ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়

যে সকল বিষয়ের কারণে এই রোগ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়ঃ

  • ডায়াবেটিস
  • সংবহনতন্ত্রে সমস্যা যেমন- বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গে রক্ত সরবরাহে ব্যাঘাত সৃষ্টি হলে, শিরার অপারেশন অথবা ভেরিকোস ভেইনের কারণে শিরা বা লসিকাগ্রন্থির সংবহননের মাত্রা কমে গেলে।
  • বিভিন্ন লিভার ডিজিজ যেমন- ক্রনিক হেপাটাইটিস অথবা সিরোসিস হলে।

যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে

লিঙ্গঃ পুরুষদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। মহিলাদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ১ গুণ কম।

জাতিঃ শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষ্ণাঙ্গ, হিস্প্যানিক ও অন্যান্য জাতিদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ১ গুণ কম।  


সাধারণ জিজ্ঞাসা


উত্তরঃ এটা কতদিনে সেরে উঠবে তা নির্ভর করবে কি ধরনের চিকিৎসা নেয়া হচ্ছে তার উপর। যদি অ্যান্টিবায়োটিকের সাহায্যে চিকিৎসা করা হয় তাহলে বেশ কিছুদিন সময় লাগতে পারে। তবে ছোট একটি অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা করা গেলে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই সেরে উঠা সম্ভব।  

উত্তরঃ চিকিৎসকরা সাধারণত এর লক্ষণ এবং কয়েকটি টেস্টের মাধ্যমে এই রোগ নির্ণয় করে থাকেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অন্য কোন টেস্টের প্রয়োজন হয়না। কিন্তু কখনো কখনো লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার পিছনের কারণ নির্ণয় এবং এর থেকে অন্যান্য সমস্যা হচ্ছে কিনা তা জানার জন্য রক্ত পরীক্ষা, আল্ট্রাসাউন্ড, CT স্ক্যান অথবা MRI করা হয়ে থাকে।

উত্তরঃ সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিকের সাহায্যে সেলুলাইটিসের চিকিৎসা করা হয়ে থাকে। ইনফেকশন মৃদু হলে ঘরে বসেই এই অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করা যেতে পারে। 

হেলথ টিপস্‌

এই সমস্যা প্রতিরোধের কয়টি উপায় হলঃ

  • ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে হবে।
  • খেলাধূলা অথবা কাজের সময় নির্দিষ্ট পোশাক পরিধান করতে হবে।
  • হাত সুরক্ষিত রাখতে শীতকালে এবং থালাবাসন ধোয়ার সময় অবশ্যই হ্যান্ড গ্লাভস্‌ ব্যবহার করতে হবে।
  • তোয়ালে এবং রেজার সহ অন্যান্য ব্যক্তিগত সামগ্রী অন্যের সাথে আদান প্রদান করা যাবে না।
  • কোথাও কেটে গেলে বা পোকামাকড় কামড় দিলে আক্রান্ত স্থান হালকা গরম পানি এবং সাবান দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। আক্রান্ত স্থানে অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম বা মলম লাগিয়ে ঘা শুকানোর আগ পর্যন্ত ব্যাণ্ডেজ করে রাখতে হবে।
  • ঘা শুকানোর আগ পর্যন্ত ইনফেকশনের বিভিন্ন লক্ষণ যেমন- লাল ভাব, ব্যথা হওয়া, পুঁজ


বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

প্রফেসর ডা: মোঃ মামুন আল মাহাতাব (স্বপ্নীল)

মেডিসিন ( Medicine), হেপাটোলজি ( লিভার) ( Hepatology)

প্রফেসর ডা: আনিসুল হক

মেডিসিন ( Medicine)

MBBS,FCPS,FRCP(Edin),PHD(Gent)

প্রফেসর ডাঃ মোঃ আলি হোসেন

মেডিসিন ( Medicine)

MBBS,FCPS,MD

প্রফেসর ডা: এ বি এম আব্দুল্লাহ

মেডিসিন ( Medicine)

MRCP(UK), FRCP(Edin)

ডাঃএস জি মোগনী মওলা

মেডিসিন ( Medicine)

MBBS, FCPS(Medicine), FACP(America)

প্রফেসর ডা: খাজা নাজিম উদ্দীন

মেডিসিন ( Medicine)

MBBS(Dhaka),FCPS(Med), FRCP(Glasgo), FCPS(USA)

অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজহার

মেডিসিন ( Medicine)

এমবিবিএস , এফসিপিএস(মেডিসিন) , এফআরসিপি(এডিন), এফএসিপি