সরিষা শাক এর বর্ণনা


শেয়ার করুন

সরিষা শাক

উপকারিতা ও অপকারিতা

যার জন্য উপকারী কারণ
ফুসফুসের ক্যান্সার (Lung cancer)

এই শাক অতি উপকারি, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে এবং শরীরে উপস্থিত ফ্রি-্যাডিকেলের মাত্রা কমিয়ে আনে।এই শাকে গ্লুকোসিনেলেটস নামক এক ধরনের উপাদান রয়েছে,এই শাক গ্রহন করে হজম হওয়ার পরে উপাদানটি শরীর থেকে কারসিনোজেন কে অপসারিত করে।এই কারসিনোজেন আমাদের ডিএনএ কে ক্ষতিগ্রস্থ করে অথবা অস্বাভাবিক রূপ দান করে।এই উপাদান টি সুস্থ স্বাভাবিক কোষ কে অস্বাভাবিক কোষে রূপান্তরিত হয়ে ক্যান্সার সৃষ্টি করতে বাঁধা দেয়।ক্রুসিফেরাস গ্রোত্রের অর্ন্তভূক্ত শাক-সবজি যেমন-সরিষা শাক ফুসফুস,স্তন এবং প্রস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

ব্রেস্ট ক্যান্সার (Breast cancer)

এই শাক অতি উপকারি, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে এবং শরীরে উপস্থিত ফ্রি-্যাডিকেলের মাত্রা কমিয়ে আনে।এই শাকে গ্লুকোসিনেলেটস নামক এক ধরনের উপাদান রয়েছে,এই শাক গ্রহন করে হজম হওয়ার পরে উপাদানটি শরীর থেকে কারসিনোজেন কে অপসারিত করে।এই কারসিনোজেন আমাদের ডিএনএ কে ক্ষতিগ্রস্থ করে অথবা অস্বাভাবিক রূপ দান করে।এই উপাদান টি সুস্থ স্বাভাবিক কোষ কে অস্বাভাবিক কোষে রূপান্তরিত হয়ে ক্যান্সার সৃষ্টি করতে বাঁধা দেয়।ক্রুসিফেরাস গ্রোত্রের অর্ন্তভূক্ত শাক-সবজি যেমন-সরিষা শাক ফুসফুস,স্তন এবং প্রস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

প্রস্টেট ক্যান্সার (Prostate cancer)

এই শাক অতি উপকারি, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে এবং শরীরে উপস্থিত ফ্রি-্যাডিকেলের মাত্রা কমিয়ে আনে।এই শাকে গ্লুকোসিনেলেটস নামক এক ধরনের উপাদান রয়েছে,এই শাক গ্রহন করে হজম হওয়ার পরে উপাদানটি শরীর থেকে কারসিনোজেন কে অপসারিত করে।এই কারসিনোজেন আমাদের ডিএনএ কে ক্ষতিগ্রস্থ করে অথবা অস্বাভাবিক রূপ দান করে।এই উপাদান টি সুস্থ স্বাভাবিক কোষ কে অস্বাভাবিক কোষে রূপান্তরিত হয়ে ক্যান্সার সৃষ্টি করতে বাঁধা দেয়।ক্রুসিফেরাস গ্রোত্রের অর্ন্তভূক্ত শাক-সবজি যেমন-সরিষা শাক ফুসফুস,স্তন এবং প্রস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

অ্যাজমা (Asthma)

সরিষা শাক ধুমপায়ীদের জন্য খুবই উপকারি।এই শাক ফুসফুসের প্রদাহ প্রতিরোধ করে এবং এমফাইসিমার ঝুঁকি কমিয়ে আনে।সিগারেটের ধোঁয়ায় উপস্থিত কারসিনোজেন ভিটামিন- এর অভাব জনিত রোগের জন্য দায়ী।এই শাকে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন- রয়েছে, একারনে যারা নিয়মিত ধুমপান করেন তাদের জন্য উপকারীএটা ভিটামিন-সি এবং ম্যাগনেসিয়ামের উৎকৃষ্ট উৎস।এই উপাদান গুলো ফুসফুস কে স্বাভাবিক রাখে এবং তা সংকুচিত হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে, এর ফলে অ্যাজমার মত রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।ম্যাগনেসিয়াম রক্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রন করে স্বাভাবিক রাখে।

ছানি (Cataract)

সরিষা শাকে লুটিন থাকে যা চোখের ছানি পরা এবং ম্যাকুলার ডিজেনারেশনের ফলে চোখের পেশীর ক্ষয়রোধে সাহায্য করে।

স্থূলতা (Obesity)

জৈব উপাদান সমৃদ্ধ খাবারে ক্যালরি কম থাকে এবং উচ্চ ফাইবার থাকে যা খাদ্য তালিকায় থাকলে কার্যকরভাবে ওজন কমানোর চাবিকাঠি হতে পারে।

ডায়াবেটিস (Diabetes)

উদ্ভিজ্জ খাদ্যের মধ্যে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট থাকে যা ক্যান্সার এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়,ডায়বেটিস এবং স্থুলাতা প্রতিরোধ করে।

লিভারের রোগ (Liver disease)

সরিষা শাক লিভার পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।এটি রক্ত প্রবাহ থেকে বর্জ্র পদার্থ বা বিষাক্ত পদার্থ নিষ্কাশিত করতে পারে,এর আর একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শরীরে উপস্থিত ভারী বস্তু,কেমিক্যাল এবং বিষাক্ত পদার্থ কে নিষ্ক্রিয় করতে পারে।

অস্টিওপরোসিস/অস্থি ক্ষয় (Osteoporosis)

ভিটামিন-কে এমন একটি উপাদান যা হাড়ে খনিজ উপাদান শোষণ করতে ,রক্ত জমা বাধতে এবং শরীরে ক্যালসিয়ামের উপস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে।

কর্নিয়া ইনফেকশন (Cornea infection)

ভিটামিন- রোডপসিন নামক প্রোটিন উৎপন্ন করে,এই প্রোটিন চোখের রেটিলন রিসেপটর কে আলো শোষণে সাহায্য করে।ভিটামিন- প্রোভিটামিন- ক্যা্রোটিনয়েড কে আমাদের শরীরে রেটিনলে রূপান্তরিত করে। এই রেটিনলই হচ্ছে এই ভিটামিনের সক্রিয় অবস্থা।

ফুসফুসের রোগ

সরিষা শাক ধুমপায়ীদের জন্য খুবই উপকারি।এই শাক ফুসফুসের প্রদাহ প্রতিরোধ করে এবং এমফাইসিমার ঝুঁকি কমিয়ে আনে।সিগারেটের ধোঁয়ায় উপস্থিত কারসিনোজেন ভিটামিন- এর অভাব জনিত রোগের জন্য দায়ী।এই শাকে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন- রয়েছে, একারনে যারা নিয়মিত ধুমপান করেন তাদের জন্য উপকারীএটা ভিটামিন-সি এবং ম্যাগনেসিয়ামের উৎকৃষ্ট উৎস।এই উপাদান গুলো ফুসফুস কে স্বাভাবিক রাখে এবং তা সংকুচিত হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে, এর ফলে অ্যাজমার মত রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।ম্যাগনেসিয়াম রক্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রন করে স্বাভাবিক রাখে।

কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজ

জৈব উপাদান সমৃদ্ধ সরিষা শাক কার্ডিওভাস্কুলার রোগ প্রতিরোধ করে।উচ ঘনত্ব সম্পন্ন ভিটামিন-সি এবং বেটা-ক্যারোটিন মূলত হৃদরোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।জৈব উপাদান সমৃদ্ধ সরিষা শাকে বেটা ক্যারোটিন হৃদরোগে আক্রান্ত  রোগীদের মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়।

রাতকানা রোগ

ভিটামিন- রোডপসিন নামক প্রোটিন উৎপন্ন করে,এই প্রোটিন চোখের রেটিলন রিসেপটর কে আলো শোষণে সাহায্য করে।ভিটামিন- প্রোভিটামিন- ক্যা্রোটিনয়েড কে আমাদের শরীরে রেটিনলে রূপান্তরিত করে। এই রেটিনলই হচ্ছে এই ভিটামিনের সক্রিয় অবস্থা।

অন্যান্য দৃষ্টি সর্ম্পকিত সমস্যা

ভিটামিন- রোডপসিন নামক প্রোটিন উৎপন্ন করে,এই প্রোটিন চোখের রেটিলন রিসেপটর কে আলো শোষণে সাহায্য করে।ভিটামিন- প্রোভিটামিন- ক্যা্রোটিনয়েড কে আমাদের শরীরে রেটিনলে রূপান্তরিত করে। এই রেটিনলই হচ্ছে এই ভিটামিনের সক্রিয় অবস্থা।

যার জন্য অপকারি কারণ
বিষাক্ত পদার্থ শরীরের জন্য অনেক অপকারী

]·         ]অনান্য শাকসবজির মত সরিষা শাক সিদ্ধ করলে এতে বিদ্যমান পুষ্টি উপাদানগুলো নাইট্রাইট ও নাইট্রোসামিন  পদার্থে পরিণত হয়। এই ধরণের বিষাক্ত পদার্থ শরীরের জন্য অনেক অপকারী। 

শরীরের জন্য অনেক অপকারী

]·         ]ফাইটালেট এবং ফাইবার সমৃদ্ধ সরিষা আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়ামের কার্যকারিতায় বাধা প্রদান করে। 

এই শাক এড়িয়ে চলতে হবে

]·         ]সরিষা শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে রয়েছে। যারা রক্ত জমাট বাধা প্রতিরোধকারী ঔষধ সেবন করছেন তদেরকে এই শাক এড়িয়ে চলতে হবে। 

মূত্রথলিতে পাথর বৃদ্ধি করে

]·         ]সরিষা শাকে অক্সালেট এসিড রয়েছে যা মূত্রথলিতে পাথর বৃদ্ধি করে। 

থায়রয়েডের কার্যকারিতা কমে যায়

]· সরিষা শাকে গয়ট্রোজেন নামক উপাদান রয়েছে যা থায়রয়েড হরমোন উৎপাদন বৃদ্ধিতে বাধা প্রদান করে। ফলে মানবদেহে থায়রোক্সিন হরমনের অভাব দেখা দেয় এবং থায়রয়েডের কার্যকারিতা কমে যায়।    

      

সারমর্ম

পুষ্টিতথ্য

  • পরিবেশন আকার: ১০০ গ্রাম
  • পরিবেষনার ধরন: ২.৫ কাপ

ক্যালরি: ৩৪ কিলোক্যালরি

  • সুগার: ১.৩২ গ্রাম
  • শর্করা: ৪.৬৭ গ্রাম
  • ফ্যাট: ০.৪২ গ্রাম
  • ভিটামিন সি: ৭০ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন এ: ৩০২৪ I.U. (আন্তর্জাতিক একক)
  • প্রোটিন: ২.৮৬ গ্রাম
  • পানি: ৯০.৭ গ্রাম

খাদ্য পুষ্টি

  • আঁশ: ৩.২ গ্রাম
  • স্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড: ০.০১ গ্রাম
  • হেক্সাডেকানয়িক এসিড: ০.০০৫ গ্রাম
  • অক্টাডেকানয়িক এসিড: ০.০০২ গ্রাম
  • মোনো-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড: ০.০৯২ গ্রাম
  • ডোকোসিনয়িক এসিড: ০.০৫৮ গ্রাম
  • ইকোসিনয়িক এসিড: ০.০১৯ গ্রাম
  • অক্টাডেসিনয়িক এসিড: ০.০১৫ গ্রাম
  • পলি-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড: ০.০৩৮ গ্রাম
  • অক্টাডেকাডিইনয়িক এসিড: ০.০২ গ্রাম
  • অক্টাডেকাট্রিইনয়িক এসিড: ০.০১৮ গ্রাম
  • ভিটামিন- বি-১ (থায়ামিন): ০.০৮ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-২ (রিবোফ্ল্যাভিন): ০.১১ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-৩ (নায়াসিন): ০.৮ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-৫ (প্যান্টোথিনিক এসিড): ০.২১ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-৬: ০.১৮ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- ই: ২.০১ মিলিগ্রাম
  • টোকোফেরলস: ২.০১ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- কে: ২৫৭.৫ মাইক্রোগ্রাম
  • কোলিন: ০.৫ মিলিগ্রাম
  • ফোলেট: ১২ মাইক্রোগ্রাম
  • ভিটামিন- এ,আর-এ-ই (RAE): ১৫১ মাইক্রোগ্রাম
  • লুটিন + জিয়েজ্যানথিন: ৩৭৩০ মাইক্রোগ্রাম
  • বেটা-ক্যারোটিন: ১৭৯০ মাইক্রোগ্রাম
  • ক্রিপটোজ্যানথিন,বেটা: ৪০ মাইক্রোগ্রাম
  • আলফা-ক্যারোটিন: ১০ মিলিগ্রাম
  • সোডিয়াম: ২০ মিলিগ্রাম
  • পটাসিয়াম (K): ৩৮৪ মিলিগ্রাম
  • ক্যালসিয়াম (Ca): ১১৫ মিলিগ্রাম
  • ফসফরাস (P): ৫৮ মিলিগ্রাম
  • ম্যাগনেসিয়াম (Mg): ৩২ মিলিগ্রাম
  • লৌহ: ১.৬৪ মিলিগ্রাম
  • জিংক (Zn): ০.২৫ মিলিগ্রাম
  • সেলেনিয়াম (Se): ০.৯ মিলিগ্রাম
  • তামা (Cu): ০.১৬৫ মিলিগ্রাম
  • অ্যাশ: ১.৩৬ গ্রাম