মুগ ডাল (ভাঙ্গা) এর বর্ণনা


শেয়ার করুন

মুগ ডাল (ভাঙ্গা)

উপকারিতা ও অপকারিতা

যার জন্য উপকারী কারণ
উচ্চ রক্তচাপ (High blood pressure)

হাইপারটেনশন (hypertension) এর মতো মারাত্মক করোনারী রোগের (coronary disease) ঝুঁকি কমাতে মুগ ডালের মধ্যে বিদ্যমান পুষ্টি উপাদানগুলো অনেকাংশে সক্ষম। ২০১৪ সালে ক্যামেস্ট্রি সেন্ট্রাল জার্নালে (Chemistry Central Journal) প্রকাশিত একটি গবেষণামূলক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ইঁদুরকে এক মাস ধরে মুগ ডালের দানা খাওয়ালে ইঁদুরের সিস্টোলিক রক্তচাপ ধীরে ধীরে কমতে থাকে।গবেষকরা মনে করেন, মুগ ডাল অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ (anti-hypertensive) হিসেবে কাজ করে কারণ এতে পেপটাইড(peptides) এর মতো উচ্চ ক্ষমতা সম্পূর্ণ প্রোটিন রয়েছে। এগুলো রক্তনালীর সংকোচন কমিয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

স্থূলতা (Obesity)

মুগ ডালে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা খাদ্য আঁশ ও প্রোটিন রয়েছে যা গ্রহণের ফলে খুব দ্রুত ক্ষুধা নিবারণ হয়। জার্নাল অফ নিউট্রিশন (Journal of Nutrition) এর একটি প্রতিবেদনে দেখা যায়, ফাইবার সমৃদ্ধ মুগ ডালের এক পরিবেশনা কোলেসিস্টোকাইনিন (cholecystokinin) নামের হরমোনকে দ্বিগুণ পরিমাণে বাড়াতে সাহায্য করে। সুতরাং, মুগ ডাল খাওয়ার ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবনতা দূর হয় যা ওজন কমাতে সাহায্য করে।

লিভারের রোগ (Liver disease)

হাড় ও মাংসপেশীর উন্নতিসাধন করার পাশাপাশি প্রোটিন মানবদেহের লিভারকেও সুরক্ষা প্রদান করে। নিরামিষভোজীদের প্রোটিন সরবারহকারী হিসেবে মুগ ডাল একটি উৎকৃষ্ট উৎস। প্রতিদিন যদি সঠিক পরিমাণে মুগ ডাল গ্রহণ করা হয় তাহলে লিভারের বিভিন্ন সমস্যা থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়। প্রোটিন মূলত লিভারের বিলিরুবিনের (bilirubin) এবং ব্লিভারডিন (biliverdin) এর কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে এবং লিভারকে জন্ডিস (jaundice) থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। 

হিট স্ট্রোক (Heat stroke)

চাইনিজ চিকিৎসকদের মতে, বাইরের পরিবেশ বা আবহাওয়া শরীরের ভিতরে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, গ্রীষ্মকালের গরম আবহাওয়া শরীরকে অধিক তাপ শোষণে বাধ্য করে। যদি শরীর এই তাপ নিঃসরণ করতে না পারে তাহলে শরীরের নানাবিধ পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। এইসব পরিবর্তনের মধ্যে শরীর গরম অনুভব করা, মুখ লাল হয়ে যাওয়া, অধিক তৃষ্ণা পাওয়া, ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, দুর্বল অনুভব করা, মাথা ব্যাথা, ঝিমুনি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।যেসব খাবার শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে সেসব খাবার গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়ায় অধিক পরিমানে গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চাইনিজ চিকিৎসকরা।প্রতিদিন একবার মুগ ডাল গ্রহন করলে উপরে উল্লিখিত শারীরিক পরিবর্তনগুলো (মুখ লাল হয়ে যাওয়া, অধিক তৃষ্ণা পাওয়া, ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, দুর্বল অনুভব করা, মাথা ব্যথা, ঝিমুনি) কমাতে সাহায্য করে। মুগ ডাল রান্না করে ফ্রিজে রেখে খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়। গ্রীষ্মকালে দিনে দুই বা তিন কাপ রান্না করা ডাল গ্রহণ করলে শরীর ঠাণ্ডা থাকে এবং উল্লিখিত শারীরিক পরিবর্তনগুলো দূর হয়।

মাড়ির রোগ (Gum disease)

মুগ ডাল ক্যালসিয়ামের একটি প্রাকৃতিক উৎস। এটা বিভিন্ন হাড়ের সমস্যা থেকে সুরক্ষা প্রদান করে।মাড়ির সুরক্ষা বজায় রাখতে মুগ ডালে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম ও সোডিয়াম অধিক কার্যকরী। সোডিয়াম মাড়ি এবং দাঁতের জন্য খুব প্রয়োজনীয় উপাদান। মাড়িতে ব্যথা, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, মুখের ভিতরে দুর্গন্ধ, মাড়ি লাল হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা দূর করতে সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা উচিৎ।  

হৃদ রোগ

২০০১ সালে জার্নাল অফ হিউম্যান এন্ড এক্সপেরিমেন্টাল টক্সিকোলোজি (Journal of Human and Experimental Toxicology) এর একটি প্রতিবেদনে দেখা যায়, শরীরে এল-ডি-এল (LDL) বা ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের অক্সিডেশন বা জারন প্রক্রিয়ায় (oxidation) বাধা প্রদান করতে মুগ ডাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেমুগ ডালের মধ্যে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো ফ্রি র‍্যাডিকেল (মুক্তমূলক) এর পরিষ্কারক বা প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে যা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক রেখে রক্তনালীকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে এবং প্রদাহ (inflammation) দূর করে।হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ইত্যাদি কার্ডিওভাস্কুলার (cardiovascular) রোগের সম্ভাবনা এল-ডি-এল (LDL) বা ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের জারন (oxidation) বহুগুনে বাড়িয়ে দেয়। এল-ডি-এল (LDL) বা ক্ষতিকর কোলেস্টেরল রক্তনালীতে জমা হয় যা এন্ডোথেলিয়াম নামে পরিচিতএর কারণে রক্ত সঞ্চালনে বাধাপ্রাপ্ত হয় মুগ ডালে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো প্রদাহ দূরকারী (anti-inflammatory) এবং এগুলো ধমনী পরিষ্কার রেখে রক্ত চলাচলে সহায়তা করে। 

টাইপ ২ ডায়াবেটিস

মুগ ডালের পুষ্টিগুণ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এতে বিদ্যমান অ্যান্টি-ডায়াবেটিক (anti-diabetic) উপাদান প্রাকৃতিকভাবেই টাইপ ২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে। ২০০৮ সালে চাইনিজ একাডেমি অফ এগ্রিকালচারাল সায়েন্স (Chinese Academy of Agricultural Sciences) প্রতিষ্ঠানটি ইঁদুরের উপরে একটি পরীক্ষা চালায়। এতে দেখা যায়, মুগ ডাল গ্রহণের ফলে ইঁদুরের শরীরে গ্লুকোজের মাত্রা কমতে শুরু করেএছাড়াও প্লাজমা সি-পেপটাইড, গ্লুকাগন (অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত এক ধরনের রস), কোলেস্টেরল এবং  ট্রাইগ্লিসারাইড (triglyceride) এর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। পরবর্তীতে দেখা যায় ইঁদুরটির গ্লুকোজ এবং ইনসুলিন এর ধারণ ক্ষমতা ধীরে ধীরে বাড়াতে শুরু করেছে।

প্রোটিনের অপুষ্টিজনিত রোগ

মুগ ডালে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন রয়েছে। হার্বিন ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি অফ চায়না (Harbin Institute of Technology China) প্রতিষ্ঠানের ডিপার্টমেন্ট অফ ক্যামেস্ট্রি এর তথ্য মতে মুগ ডালে ২০ থেকে ২৪ শতাংশ অ্যামাইনো এসিড (প্রোটিন) রয়েছে। গ্লোবিউলিন (Globulin), অ্যালবুমিন (albumin) ইত্যাদি প্রোটিন মুগ ডালে অধিক পরিমাণে থাকে যা অ্যামাইনো এসিডের অভাব ৮৫ শতাংশ পূরণ করে।মুগ ডালে বিদ্যমান লিউসিন (leucine), আইসোলিউসিন(isoleucine), ভ্যালিন (valine) ইত্যাদি অ্যামাইনো এসিডগুলো অন্যান্য শস্যদানা বা শাক-সবজির পুষ্টির সাথে মিশে একটি সম্পূর্ণ প্রোটিন তৈরি করে। নিরামিষভোজীরা প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করার জন্য মুগডালকেই অধিক পছন্দ করে থাকেন।

অন্ত্রের বিভিন্ন রোগ

মুগডালে বিভিন্ন ধরণের পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এসব উপাদানের মধ্যে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল (anti-microbial) ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি (anti-inflammatory) উপাদানগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে বিভিন্ন ধরণের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা, র‍্যাশ ইত্যাদি দূর করতে সাহায্য করে। মুগডাল খাওয়ার ফলে পরিপাক নালীর মধ্যে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি বাড়তে শুরু করে যা পুষ্টি শোষণ ক্ষমতা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।  

পরিপাকতন্ত্রের সুস্থতা

দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় এক কাপ মুগডাল থাকলে ফোলেটের (folate) চাহিদার ১০০ ভাগই পূরণ হয়ে থাকে। ফোলেট (folate) বা ভিটামিন বি-৯ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন। এটি ডিএনএ (DNA) সংশ্লেষণ, কোষ ও টিস্যুর বৃদ্ধি, হরমোনের ভারসম্য, মস্তিষ্কের কার্যাবলী, প্রজনন প্রক্রিয়া ইত্যাদি ঠিক রাখতে সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় পর্যাপ্ত পরিমাণে ফোলেট (folate) গ্রহণ করলে নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে জন্মগ্রহণ, নিউরাল টিউব ডিফেক্টস এবং গর্ভপাত প্রতিরোধ করা যায়। বিশেষ করে বয়স্ক নারীদের প্রয়োজনীয় ম্যাগনেসিয়াম চাহিদার ৩৬ শতাংশই মুগ ডাল গ্রহণের ফলে পূরণ হতে পারে। অনেক বয়স্করাই ম্যাগনেসিয়াম কম গ্রহণ করেন এবং এর ফলস্বরূপ তারা দুশ্চিন্তা বা বিভিন্ন ধরণের শারীরিক ব্যথায় ভোগেন। পরিপাক তন্ত্রের সুরক্ষা, হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক রাখতে, নিউরোট্রান্সমিটার নিঃসরণে (neurotransmitter release) এবং মাংসপেশীর টিস্যুগুলোকে স্বাভাবিক রাখতে ম্যাগনেসিয়াম সাহায্য করে।

প্রি-মেন্সট্রুয়াল সিন্ড্রোম

মুগ ডালে ভিটামিন বি-৬ ও ফোলেট (folate) সমৃদ্ধ ভিটামিন বি রয়েছে যা হরমোনের তারতম্য রোধ করে। হরমোনের তারতম্য সাধারণত পিএমএস (PMS) রোগের লক্ষণ হিসেবে দেখা যায়।  ভিটামিন বি, ফোলেট (folate), ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি উপাদানগুলো পিএমএস (PMS) রোগের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া স্বরূপ সৃষ্ট খিঁচুনি, মাথা ব্যথা, ঝিমুনি ভাব, মাংসপেশীতে ব্যথা এবং অবসাদ অনুভূতি দূর করতে সহায়তা করে। 

চর্মরোগ

কাঁচা মুগ ডাল সাধারণত স্বাদে মিষ্টি হয় এবং এতে শরীর ঠাণ্ডাকারী উপাদান রয়েছে। মুগ ডাল হৃদপিণ্ড, এবং ত্বকের জন্য অধিক উপকারী। মুগ ডাল সঠিক পরিমাণে গ্রহণ করলে এটি ব্রণ, জ্বর ঠোসা, মুখের আলসার ইত্যাদি থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। 

চুল ও নখ ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া

অপর্যাপ্ত প্রোটিন ও জিঙ্কের অভাবে নখ ভঙ্গুর ও চুল পড়া বেড়ে যেতে পারে। কিন্তু মুগ ডালে থাকা প্রচুর পরিমাণে খনিজ লবণ (প্রোটিন ও জিঙ্ক) এর কারণে এটি নখ ও চুলকে এই ধরণের ক্ষতি থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। 

মস্তিষ্কের ব্যাধি

যেসব ব্যক্তিদের কাজে মনোযোগের অভাব এবং যাদের স্মৃতিশক্তি দুর্বল তাদের অবশ্যই মুগ ডাল খাওয়া উচিৎ। মুগ ডালে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে যা রক্তে, বিভিন্ন অঙ্গ-প্রতঙ্গের এবং মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবারহ করে। এটা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। 

বেড়ে উঠতে সাহায্য করে

শিশুদের বেড়ে উঠার ধীর গতি সব মায়েদের জন্যই একটি দুশ্চিন্তার বিষয়মুগডালে বিদ্যমান বিভিন্ন খনিজ লবণ ও ভিটামিন রয়েছে যা হরমোনের উন্নতি সাধন করে এবং শিশুকে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে। এসব উপাদানে সমৃদ্ধ মুগ ডাল প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখলে এটা বেড়ে ওঠার গতিতে স্বাভাবিকতা আনতে সাহায্য করে। 

রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে

যেকোনো ধরণের ইনজুরিতে আক্রান্ত হলে আক্রান্ত স্থান থেকে রক্তপাত হয়ে থাকে। এটা আমাদের   সৌভাগ্য যে রক্ত সহজেই জমাট বাধে যার ফলে অতিরিক্ত রক্তপাত হতে পারে না। এক্ষেত্রে ভিটামিন কে এর স্বল্পতা এই স্বাভাবিক রক্তজমাট বাধার প্রক্রিয়াতে বাধা প্রদান করে। এর ফলে জীবনে সঙ্কটময় অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। মুগ ডাল ভিটামিন কে (K) এর একটি প্রাকৃতিক উৎস এবং এটা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরিক বিভিন্ন সমস্যা থেকে সুরক্ষা প্রদান করে।  

যার জন্য অপকারি কারণ
অ্যালার্জি (Allergy)

কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই ডাল নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে। যদি কোন ব্যক্তির বীজ বা বীচি জাতীয় খাবারে আলার্জি থাকে তাহলে এই ডাল খাবার পূর্বে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহন করতে হবে বিভিন্ন ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে সুরক্ষা পেতে হলে এই ডাল অধিক পরিমানে গ্রহন করা থেকে বিরত থাকতে হবে

সারমর্ম

পুষ্টিতথ্য

  • পরিবেশন আকার: ১০০ গ্রাম
  • পরিবেষনার ধরন: ১ কাপ

ক্যালরি: ৩৫১ কিলোক্যালরি

  • শর্করা: ৬০.৯ গ্রাম
  • ফ্যাট: ১.২ গ্রাম
  • প্রোটিন: ২৩.৭ গ্রাম
  • পানি: ৯.৮ গ্রাম

খাদ্য পুষ্টি

  • আঁশ: ০.৭ গ্রাম
  • ভিটামিন- বি-১ (থায়ামিন): ০.৩৬ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-২ (রিবোফ্ল্যাভিন): ০.১৪ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-৩ (নায়াসিন): ৬.৬ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-৬: ০.৫ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- এ: ৩ I.U. (আন্তর্জাতিক একক)
  • ভিটামিন- ই: ১.৯ মিলিগ্রাম
  • ফোলেট: ১৪০ মাইক্রোগ্রাম
  • বেটা-ক্যারোটিন: ৩৯ মাইক্রোগ্রাম
  • সোডিয়াম: ৩০ মিলিগ্রাম
  • পটাসিয়াম (K): ১৩০০ মিলিগ্রাম
  • ক্যালসিয়াম (Ca): ৬৯ মিলিগ্রাম
  • ফসফরাস (P): ৩১৫ মিলিগ্রাম
  • ম্যাগনেসিয়াম (Mg): ১৪৭ মিলিগ্রাম
  • লৌহ: ৭.২ মিলিগ্রাম
  • জিংক (Zn): ২.৭৩ মিলিগ্রাম
  • তামা (Cu): ১.৬৬ মিলিগ্রাম
  • মিথিয়োনিন: ২৯০ গ্রাম
  • আইসোলিউসিন: ৯৯০ গ্রাম
  • লিউসিন: ১৮০০ গ্রাম
  • লাইসিন: ১৭০০ গ্রাম
  • ফিনাইলএলানিন: ১৫০০ গ্রাম
  • থ্রিয়োনিন: ৭৬০ গ্রাম
  • ট্রিপটোফেন: ২৬০ গ্রাম
  • ভেলিন: ১২০০ গ্রাম
  • হিস্টিডিন: ৬৯০ গ্রাম
  • আরজিনিন: ১৭০০ গ্রাম
  • গ্লাইসিন: ৯৬০ গ্রাম
  • এলানিন: ১১০০ গ্রাম
  • সিরিন: ১২০০ গ্রাম
  • সিস্টিন: ২১০ গ্রাম
  • এসপারটিক এসিড: ২৭০০ গ্রাম
  • গ্লুটামিক এসিড: ৪২০০ গ্রাম
  • টাইরোসিন: ৭৩০ গ্রাম
  • প্রোলিন: ১১০০ গ্রাম
  • অ্যাশ: ৩.৭ গ্রাম