মুরগির মাংস এর বর্ণনা


শেয়ার করুন

মুরগির মাংস

উপকারিতা ও অপকারিতা

যার জন্য উপকারী কারণ
অস্টিওআর্থ্রাইটিস (Osteoarthritis)

মুরগীর মাংসে প্রোটিন ছাড়াও অন্যান্য খনিজ উপাদান যেমন-ফসফরাস এবং ক্যালসিয়াম থাকে যা হাঁড়ের ক্ষয়পূরণ রোধ করে।এছাড়াও সেলেনিয়াম আর্থ্রাইটিস বা হাঁড়ের ক্ষয় হওয়ার ঝুঁকি কমায়।

উচ্চ রক্তচাপ (High blood pressure)

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে মুরগীর মাংস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

রক্তস্বল্পতা (Anemia)

খনিজ উপাদান যেমন-আয়রন হিমোগ্লোবিন গঠন, মাংশপেশীর সক্রিয়তা বৃদ্ধি এবং রক্তস্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করে।

প্রোটিনের অপুষ্টিজনিত রোগ

আমিষ জাতীয় খাবারের মাধ্যে মুরগীর মাংসে প্রোটিন সবচেয়ে বেশি পরিমানে পাওয়া যায় এটি চর্বিহীন মাংস এবং এতে উচ্চমাত্রায় প্রোটিন রয়েছে ১০০ গ্রাম রোষ্ট চিকেনে প্রায় ৩১ গ্রাম প্রোটিন থাকে যা মাংস পেশী গঠনে সাহায্য করে

মানসিক চাপ

ট্রিপটোফ্যান এবং ভিটামিন-বি৫ নামক দুই ধরনের উপাদান আছে যা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।

প্রি-মিন্সট্রুয়াল সিন্ড্রম( Pre-menstrual syndrome)

মুরগীর মাংসে থাকা ম্যাগনেসিয়াম প্রি-মেন্সট্রুয়াল সিন্ড্রোম(Pre-menstrual syndrome)  এবং নারীদের মাসিকের সময় মেজাজের পরির্বতনে সাহায্য করে।   

অলিগো স্পার্মিয়া(Oligo spermia)

দেশী মুরগীর মাংসে জিংক আছে। পুরুষদের জিংক সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচি কারন এটা টেসটোস্টেরনের মাত্রা নিয়ন্ত্রন এবং শুক্রাণু উৎপাদনে সাহায্য করে।

হৃদরোগ

মুরগীর মাংসে আছে উচ্চমাত্রায় ভিটামিন-বি৬, যা হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।ভিটামিন-বি৬ হোমোসিস্টিনিনের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে, এই উপাদান হার্ট অ্যাটাকের ঝুকি কমায়অপরদিকে,মুরগীর মাংস নায়াসিনের খুব ভালো উৎস যা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন মন্তব্য করেন যে,মুরগীর মাংসে স্যাচুরেটেড ফ্যাট এর পরিমান কম থাকে এবং এটি ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের সবচেয়ে ভালো উৎস যা কার্ডিওভাস্কুলারের ক্ষতিকর প্রভাব কমাতে সাহায্য করে

দূর্বলতা, মস্তিষ্কের কার্যকলাপ

পটাশিয়াম এবং সোডিয়াম হচ্ছে ইলেক্ট্রোলাইট; ফসফরাস মেটাবলিক বা বিপাকজনিত সমস্যা যেমন-শারীরিক দূর্বলতা, হাড়ের গঠন, মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং দাঁতের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে 

অস্টিওম্যালেসিয়া

ভিটামিন-ডি ক্যালসিয়াম শোষন করে হাড়কে সুদৃঢ় করে।

যার জন্য অপকারি কারণ
গাউট/গেঁটেবাত (Gout)

মুরগীর মাংসে পিউরিন নামক উপাদান রয়েছে যা সাধারণত উদ্ভিদ, প্রাণী ও মানবদেহে পাওয়া যায়। যারা পিউরিন জনিত সমস্যায় ভুগছেন, তাদের অধিক পরিমাণে মুরগীর মাংস গ্রহণ এড়িয়ে চলতে হবে। শরীরে পিউরিনের পরিমাণ অধিক হলে এটা ইউরিক এসিডে পরিণত হতে পারে। এর ফলে গেঁটে বাত, কিডনীতে পাথর ইত্যাদি রোগ হতে পারে। এইসব রোগে আক্রান্তদের জন্য  পিউরিন সমৃদ্ধ মুরগীর মাংস অধিক পরিমাণে গ্রহণ করা উচিৎ নয়। 

কিডনী ডিজিজ

মুরগীর মাংসে পিউরিন নামক উপাদান রয়েছে যা সাধারণত উদ্ভিদ, প্রাণী ও মানবদেহে পাওয়া যায়। যারা পিউরিন জনিত সমস্যায় ভুগছেন, তাদের অধিক পরিমাণে মুরগীর মাংস গ্রহণ এড়িয়ে চলতে হবে। শরীরে পিউরিনের পরিমাণ অধিক হলে এটা ইউরিক এসিডে পরিণত হতে পারে। এর ফলে গেঁটে বাত, কিডনীতে পাথর ইত্যাদি রোগ হতে পারে। এইসব রোগে আক্রান্তদের জন্য  পিউরিন সমৃদ্ধ মুরগীর মাংস অধিক পরিমাণে গ্রহণ করা উচিৎ নয়। 

সারমর্ম

পুষ্টিতথ্য

  • পরিবেশন আকার: ১০০ গ্রাম
  • পরিবেষনার ধরন: ৩ পিস

ক্যালরি: ১৪৩ কিলোক্যালরি

  • ফ্যাট: ৮.১ গ্রাম
  • প্রোটিন: ১৭.৪৪ গ্রাম
  • পানি: ৭৩.২৪ গ্রাম
  • শর্করা: ০.০৪ গ্রাম

খাদ্য পুষ্টি

  • স্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড: ২.৩০১ গ্রাম
  • ইকোসানয়িক এসিড: ০.০০৫ গ্রাম
  • হেপ্টাডেকানয়িক এসিড: ০.০০৭ গ্রাম
  • হেক্সাডেকানয়িক এসিড: ১.৭৯১ গ্রাম
  • অক্টাডেকানয়িক এসিড: ০.৪৫৬ গ্রাম
  • টেট্রাডেকানয়িক এসিড: ০.০৪১ গ্রাম
  • মোনো-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড: ৩.৬১১ গ্রাম
  • সিস-অক্টাডেসিনয়িক এসিড: ২.৯৯২ গ্রাম
  • ইকোসিনয়িক এসিড: ০.০২৫ গ্রাম
  • হেক্সাডেসিনয়িক: ০.৫৩৬ গ্রাম
  • অক্টাডেসিনয়িক এসিড: ৩.০৩৫ গ্রাম
  • টেট্রাডেসিনয়িক এসিড: ০.০১৬ গ্রাম
  • ট্রান্স-অক্টাডেসিনয়িক এসিড: ০.০৪২ গ্রাম
  • পলি-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড: ১.৫০৮ গ্রাম
  • সিস-সিস-সিস-অক্টাডেকাট্রিইনয়িক এন-৩ এসিড: ০.০৫৭ গ্রাম
  • সিস-সিস-সিস-অক্টাডেকাট্রিইনয়িক এন-৬ এসিড: ০.০১৪ গ্রাম
  • সিস-সিস-ইকোসাডিইনয়িক এন-৬ এসিড: ০.০১১ গ্রাম
  • সিস-সিস-অক্টাডেকাডিইনয়িক এন-৬ এসিড: ১.৩০৩ গ্রাম
  • ডোকোসাহেক্সাইনয়িক এন-৩ এসিড: ০.০২৩ গ্রাম
  • ডোকোসাপেন্টাইনয়িক এন-৩ এসিড: ০.০০৮ গ্রাম
  • ইকোসাটেট্রাইনয়িক এসিড: ০.০৭৪ গ্রাম
  • অক্টাডেকাডিইনয়িক এসিড: ১.৩২৪ গ্রাম
  • অক্টাডেকাট্রিইনয়িক এসিড: ০.০৭১ গ্রাম
  • টোটাল ট্রান্স ফ্যাটি এসিড: ০.০৬৫ গ্রাম
  • টোটাল ট্রান্স - মোনোইনয়িক এসিড: ০.০৪২ গ্রাম
  • টোটাল ট্রান্স - পলিইনয়িক ফ্যাটি এসিড: ০.০২২ গ্রাম
  • ইকোসাপেন্টাইনয়িক এন-৩ এসিড: ০.০০৮ গ্রাম
  • ট্রান্স-অক্টাডেকাডিইনয়িক এসিড: ০.০২২ গ্রাম
  • ভিটামিন- বি-১ (থায়ামিন): ০.১০৯ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-২ (রিবোফ্ল্যাভিন): ০.২৪১ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-৩ (নায়াসিন): ৫.৫৭৫ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-৫ (প্যান্টোথিনিক এসিড): ১.০৯২ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-৬: ০.৫১২ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-১২ (কোবালামিন): ০.৫৬ মাইক্রোগ্রাম
  • ভিটামিন- ই: ০.২৭ মিলিগ্রাম
  • টোকোফেরলস: ০.৪৭ মিলিগ্রাম
  • টোকোট্রাইনোলস: ০.০৫ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- কে: ০.৮ মাইক্রোগ্রাম
  • কোলিন: ৫৮.৮ মিলিগ্রাম
  • ফোলেট: ১ মাইক্রোগ্রাম
  • বেটাইন: ৭.৭ মিলিগ্রাম
  • সোডিয়াম: ৬০ মিলিগ্রাম
  • পটাসিয়াম (K): ৫২২ মিলিগ্রাম
  • ক্যালসিয়াম (Ca): ৬ মিলিগ্রাম
  • ফসফরাস (P): ১৭৮ মিলিগ্রাম
  • ম্যাগনেসিয়াম (Mg): ২১ মিলিগ্রাম
  • লৌহ: ০.৮২ মিলিগ্রাম
  • জিংক (Zn): ১.৪৭ মিলিগ্রাম
  • সেলেনিয়াম (Se): ১০.২ মাইক্রোগ্রাম
  • তামা (Cu): ০.০৬৫ মিলিগ্রাম
  • ম্যাঙ্গানিজ (Mn): ০.০১৬ মিলিগ্রাম
  • মিথিয়োনিন: ০.৪৪৬ গ্রাম
  • আইসোলিউসিন: ০.৭৯৪ গ্রাম
  • লিউসিন: ১.৩৬১ গ্রাম
  • লাইসিন: ১.৫০৯ গ্রাম
  • ফিনাইলএলানিন: ০.৬৮৩ গ্রাম
  • থ্রিয়োনিন: ০.৭২৭ গ্রাম
  • ট্রিপটোফেন: ০.১৪৭ গ্রাম
  • ভেলিন: ০.৮২৬ গ্রাম
  • হিস্টিডিন: ০.৫২৯ গ্রাম
  • আরজিনিন: ১.১২৮ গ্রাম
  • গ্লাইসিন: ০.৮৩৮ গ্রাম
  • এলানিন: ০.৯৯১ গ্রাম
  • সিরিন: ০.৭৩১ গ্রাম
  • সিস্টিন: ০.১৮৮ গ্রাম
  • এসপারটিক এসিড: ১.৬১৬ গ্রাম
  • গ্লুটামিক এসিড: ২.৬১১ গ্রাম
  • টাইরোসিন: ০.৬০৪ গ্রাম
  • প্রোলিন: ০.৬৫৮ গ্রাম
  • হাইড্রোক্সিপ্রোলিন: ০.০৯৪ গ্রাম
  • অ্যাশ: ১.১৭ গ্রাম
  • কোলেস্টেরল: ৮৬ মিলিগ্রাম